বন্ধু কৌতুক
আরও দেখুন →
বল্টু তার বন্ধু মন্টকে রাত২.৪৫একলকরল।টিং টিং টিং টিং,,,মন্টু:- (ঘুম ভেঙ্গে) হেলো!!বল্টু: (কাঁদতে কাঁদতে) আমারসর্বনাসহয়ে গেল দোস্ত।মন্টু:- (চমকে গয়ে) কি! কিহয়েছে???বল্টু:-আমার সব শেষ।মন্টু:- আরে কি হইসে বলবিতো,বল্টু:- কথাটা সুইননা তুই কিছুমনেকরবিনা তো??মন্টু:- তুই আমার এতো ভালঘুমভেঙ্গে কি মসকারি করতাসস??কি বলবি তারাতারি বল।বল্টু:- আমার প্রিয় ১৫০ টাকাদামেরঘড়িটা নষ্ট হয়ে গেসে।তাই এখনটাইম জানার জন্যতোরে কল দিসি,এখন কইটাবাজে??

বাসা থেকে বের হতেই পল্টুরচোখে পড়ল রাস্তার ওপারের রেস্তোরাঁয় গরম গরম জিলাপি বানানো হচ্ছে। পল্টুর স্ত্রী তা দেখে বায়না ধরল। পল্টু তাকে নিয়ে রেস্তোরাঁর সামনে গেল—পল্টু: আচ্ছা ভাই, আপনি কত বছর ধরে জিলাপি বানান?জিলাপিওয়ালা: আমি তো দীর্ঘ ১২ বছর ধরে জিলাপি বানাই।পল্টু: এতদিন ধরে জিলাপি বানাচ্ছেন! কিন্তু আজ পর্যন্ত জিলাপিটা সোজা করে বানানো শিখলেন না।

পিন্টু একটা ব্যাগ হাতে নিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় দেখা হলো সেন্টুর সাথে।সেন্টু : ব্যাগের ভেতর কী আছে রে?পিন্টু : পেয়ারা।সেন্টু : একটা দে না ভাই।পিন্টু : আহা! কয়টা আছে বলতে পারলে তিনটাই দিয়ে দেবো।
ছেলে ও মা কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
মালিক ও কর্মচারী
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
শিক্ষক-ছাত্র কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
স্বামী-স্ত্রী কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
বাবা-ছেলে কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
প্রেমিক-প্রেমিকা কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
পাঁচমিশালী কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
১৮+ কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
ডাক্তার ও রোগী
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
আইন আদালত
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
ক্লাস-রুম কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
ক্রেতা-বিক্রেতা কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
পুলিশ ও আসামী
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
ইন্টারভিউ কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
মাতাল কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
পাগল ও ডাক্তার
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
নাপিতের কৌতুক
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
খেলাধূলা কৌতুক
আরও দেখুন →
নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন। নিজেরগার্ডগুলো পরীক্ষা করে দেখলেন। একটু নড়েচড়ে শরীরটাকে চাঙা করে নিলেন।চারদিকে ফিল্ডারদের অবস্থানটাও একনজর ঘুরে দেখলেন। এরপর শূন্যে কয়েকবার ব্যাট হাঁকিয়ে আম্পায়ারকে জানালেন, সে তৈরি।আম্পায়ার বোলারকে বল করতে অনুমতি দিলেন। বোলার বলও করলেন এবং সোজা মিডল স্ট্যাম্প উড়ে গেল। তখন পেছন থেকে উইকেট কিপার বললেন-কিপার : কী লজ্জা! এতো ভাব দেখানোর পর মাত্র এক বলেই স্ট্যাম্প উড়ে গেল।ব্যাটসম্যান : লজ্জা তোমাদেরই পাওয়া উচিত। একজন নতুন অতিথির সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয়, সেটা তোমাদের বোলার এখনো শেখেনি।

ভিরাট কোহলি : আমাদের বিপক্ষে যাতে কেউ সেঞ্চুরি করতে না পারে।এম এস ধোনি : সেজন্য কী করা যায়?ভিরাট কোহলি : আমরা যদি একশ’ রানের মধ্যেই অল আউট হয়ে যাই?এম এস ধোনি : তাহলে কী হবে?ভিরাট কোহলি : তবে আর কেউ আমাদের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করতে পারবে না!

বারবার খারাপ খেলে ভীষণ মুষড়ে পড়েছেন একজন ব্যাটসম্যান। ক্লাব কর্মকর্তা তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন-কর্মকর্তা : তুমি যখনই ব্যাট করতে নামো, আমি অবাক হয়ে তোমাকে দেখি। বিশ্বাস করো!খেলোয়াড় : জানি। আপনি নিশ্চয়ই ভাবেন, আমি কেমন করে খেলি।কর্মকর্তা : না। আমি ভাবি, তুমি ‘কেন’ খেলো?
দর্জি কৌতুক
আরও দেখুন →
এক লোক দর্জির কাছে গেলপ্যান্ট বানাতে। দর্জিকে মজুরি কত তা জিজ্ঞেস করছে...লোক : আচ্ছা, ফুল প্যান্ট বানাতে কত মজুরি পরবে?দর্জি : ৫০০ টাকা।লোক : হাফ প্যান্ট?দর্জি : ২৫০ টাকা।লোক : আর জাঙ্গিয়া?দর্জি : ১০০ টাকা।লোক : ঠিক আছে তাইলে আপনি আমাকে একটা জাঙ্গিয়া বানায়া দেন। খালি জাঙ্গিয়ার ঝুলটা বাড়িয়ে পায়ের টাকনু পর্যন্ত করে দিয়েন।

দরজির কাছে শার্ট-প্যান্ট বানাতে দিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তা শফিক। যথা সময়ে তিনি তাঁর পোশাক বুঝে পেলেন। সব ঠিকঠাক আছে, শুধু শার্ট-প্যান্ট কোনো টারই পকেট নেই।দরজিকে পাকড়াও করলেন শফিক, ‘কী হে, জামার পকেট কোথায়?’দরজি উত্তর দিল, ‘ব্যাংক কর্মকর্তারা কখনো নিজের পকেটে হাত দেয় নাকি!

এক লোকের প্যান্ট ফেটে গেছে।প্যান্ট সেলাই করতে সে গেল দর্জির কাছে। দর্জি সুন্দরমত লোকটির প্যান্ট সেলাই করে দিল__তা দেখে লোকটি বেজায় খুশি হয়ে বললোঃ বাহ! দারুণ সেলাই করেন তো আপনি !তা কত দিতে হবে ভাই? দর্জি জবাব দিলোঃ ৫০০ টাকা দিবেন। লোকটি আর কথা না বাড়িয়ে চুপচাপ ১০০০ টাকা ধরিয়ে দিল দর্জিকে। দর্জি দারুণ অবাক হয়ে বললোঃ আর ৫০০ বাড়তি দিলেন কেন?লোকটি মুচকি হাইসা কইলোঃভাই, দাম শুনে প্যান্ট আবার ফাঁইটা গেছে
ইঞ্জিনিয়ার কৌতুক
আরও দেখুন →![ইন্জিনিয়ারের ক্লিনিক [Most Wanted]](/_next/image?url=https%3A%2F%2Fres.cloudinary.com%2Fdjldplqug%2Fimage%2Fupload%2Fv1771454157%2Fblog_posts%2Foyelo4ua15kllzfp2i7p.jpg&w=3840&q=75)
এক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই চাকরি পেলনা।তখন সে একটা ক্লিনিক খুলল আর বাইরে লিখে দিল, “৩০০ টাকায় যে কোন রোগের চিকিৎসা করান। চিকিৎসা না হলে এক হাজার টাকা ফেরৎ।“এক ডাক্তার ভাবল এক হাজার টাকা রোজকার করার একটা দারুণ সুযোগসে সেই ক্লিনিকে গেল আর বলল “আমার কোন জিনিষ খেতে গেলে তাতে কোন স্বাদ পাইনা।“ ইঞ্জিনিয়ার নিজের নার্সকে বলল, “২২ নাম্বার বক্স থেকে ওষুধ বার কর আর ৩ ফোটা খাইয়ে দাও।“ নার্স খাইয়ে দিল।রুগী (ডাক্তার)– “আরে, এটা তো পেট্রোল।“ইঞ্জিনিয়ার- “Congratulation দেখলেন তো আমাদের ক্লিনিকের কামাল। আপনি টেস্টটা জিভে পেয়ে গেছেন। এবার আমাকে আমার ৩০০ টাকা ফীটা দিয়ে দিন।“কিন্তু ডাক্তার ভীষণ চতুর। ভাবল, একে টাইট করতে হবে, আর পয়সাটাও উসুল করতে হবে। তাই আবার কিছুদিন পর সে সেই ক্লিনিকে এল।ডাক্তার- “সাহেব, আমার মেমরী কমে গেছে। কিছুই মনে থাকেনা।“ইঞ্জিনিয়ার- “নার্স, এনাকে সেই ২২ নাম্বার বক্স থেকে ৩ ফোটা দাও।“রূগী (ডাক্তার)- “কিন্তু স্যার, ওটা তো স্বাদ ফিরে পাওয়ার ওষুধ।“ইঞ্জিনিয়ার- “দেখলেন তো ওষুধ খাওয়ার আগেই আপনার মেমরী ফিরে এসেছে। দিন, আমার ৩০০ টাকা।“ এবার ডাক্তার বেশ রেগেই বাড়ি গেলআর আবার কিছুদিন পর ক্লিনিকে এসে বলল, “স্যার, আমার দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে গেছে। সবই খুব ঝাপসা দেখছি।“ইঞ্জিনিয়ার- “এর কোন ওষুধ আমার কাছে নেই। এই নিন, আপনার ১০০০ টাকা।“রুগী (ডাক্তার)- “কিন্তু এটা তো ৫০০ টাকার নোট।“ইঞ্জিনিয়ার- “দেখুন, আপনার দৃষ্টিও ফেরৎ এসে গেছে। দিন আমার ৩০০ টাকা।

আমেরিকাঃ মোবাইল আমাদেরআবিষ্কার।চায়নাঃ সিমকার্ড আমাদের আবিষ্কার।জাপানঃ এস.এম.এস আমাদের আবিষ্কার।বাংলাদেশঃ..............!!!!!!!!!!!!!!মিসকল আমাদের দেশের মেয়েদের আবিষ্কার!!
