ক্রিকেট দুনিয়া
আরও দেখুন →
তিন মাসের বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। গত ২ ডিসেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হওয়ার পর জাতীয় দলের পরের ব্যস্ততা ছিল টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে অন্তবর্তী সরকারের ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের কারণে লিটনদের আর টুর্নামেন্টটিতে খেলা হচ্ছে না।সব ঠিক থাকলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আবার মাঠে নামবে আগামী ১১ মার্চ। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে সেদিন।বিসিবির প্রকাশ করা সূচি অনুসারে, পাকিস্তান ক্রিকেট দল ঢাকায় আসবে ৯ মার্চ। দুই দিন পরই মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজের পরের দুটি ম্যাচ ১৩ ও ১৫ মার্চ। সব ম্যাচই দিবারাত্রির, খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে। মিরপুরে সিরিজের তিন ওয়ানডে শেষে পাকিস্তান দল ঢাকা ছাড়বে ১৬ মার্চ।এই সিরিজ দিয়েই ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ শুরু হবে বাংলাদেশের। বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করতে আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সেরা ৯–এ থাকতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ আছে ১০ নম্বরে।এ বছর সব মিলিয়ে ২৩টি ওয়ানডে খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের।
ফুটবল দুনিয়া
আরও দেখুন →
২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে এখনই একটি বড় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্পেন, পর্তুগাল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়ের সঙ্গে এই বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে আছে মরক্কোও। অভিযোগ উঠেছে, বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কুকুর হত্যা করেছে মরক্কো। দেশটির সরকার অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।আন্তর্জাতিক প্রাণী কল্যাণ ও সংরক্ষণ কোয়ালিশন (আইএডব্লিউপিসি)) জানিয়েছে, যদি মরক্কোর এই কার্যক্রম চালু থাকে, তবে ৩০ লাখের মতো কুকুর বিপদে পড়তে পারে। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন বলছে, হত্যার যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, তার মধ্যে স্ট্রাইকাইন বিষ প্রয়োগ, গুলি চালানো এবং এমনকি কিছু কুকুরকে জীবন্ত জ্বালিয়েও দেওয়া হয়েছে। সবই করা হয়েছে শহরের রাস্তা ‘পরিষ্কার’ করার উদ্দেশ্যে, যাতে পর্যটক ও প্রতিনিধিদল আসার আগে শহর প্রস্তুত থাকে।তবে মরক্কোর রাজধানী রাবাতের শহর কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। লন্ডনে মরক্কো দূতাবাসের মুখপাত্র দাবি করেন, ভবঘুরে কুকুর নিধনের কোনো কার্যক্রম নেই এবং মানবিক ও টেকসই প্রাণী ব্যবস্থাপনায় দেশটির অঙ্গীকারবদ্ধ।‘কুকুর সমস্যা’র সমাধান করে সৌদি আরবের পথে ফাবিনিওমরক্কোর প্রশাসন বলছে, তারা ২০১৯ সাল থেকে টিএনভিআর (ট্র্যাপ, নিউটার, ভ্যাকসিনেট, রিলিজ অর্থাৎ ধরো, বন্ধ্যত্ব করাও এবং টিকা দিয়ে ছেড়ে দাও) কর্মসূচি চালাচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় কুকুরগুলোকে ধরা, বন্ধ্যত্ব করানো, ভ্যাকসিন দেওয়া এবং আবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই কাজের জন্য বিশেষ ক্লিনিকে ২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। একই সময়ে তানজিয়ারের হায়াত প্রকল্প ৪,৬০০–এর বেশি কুকুরকে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল।তবে প্রাণী অধিকারকর্মীরা এমন ছবি ও সাক্ষ্য প্রকাশ করেছেন, যা সরকারি বিবৃতির বিপরীত। আইএডব্লিউপিসির পরিচালক লেস ওয়ার্ড সিএনএনকে বলেছেন, ‘রাতের অন্ধকারে রাইফেল হাতে মানুষ রাস্তায় বের হয়ে কুকুরকে গুলি করে, আবার অন্যদের (কুকুর) পৌর স্বাস্থ্য ক্লিনিকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে। এমনকি কিছু কুকুর, যাদের ইতিমধ্যেই বন্ধ্যত্ব করা হয়েছে, তারাও ক্ষতির শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।’কুকুর হত্যা বন্ধের দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে মাঠে ঢুকে পড়েছেন এক প্রাণী অধিকার কর্মী কুকুর হত্যা বন্ধের দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে মাঠে ঢুকে পড়েছেন এক প্রাণী অধিকার কর্মীএএফপিআইএডব্লিউপিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর (মরক্কোয়) কুকুর নিধনের ঘটনা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মরক্কো ৩০ লাখ কুকুর হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোতে পারে।’পাল্টাপাল্টি এই অবস্থানের মধ্যে বিতর্ক এখন আরও তীব্র হয়েছে। হলিউড অভিনেতা মার্ক রাফালো এই পরিস্থিতিকে ‘নৈতিক ব্যর্থতা’ বলে মনে করেন এবং এক্সে করা পোস্টে বলেন, ‘একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টের প্রস্তুতির জন্য লাখ লাখ কুকুরকে হত্যা করাকে অগ্রগতি বলে না।’মার্তিনেজের বিশ্বকাপ জয়ের পদক পাহারায় ২৪ লাখ টাকার কুকুরক্রীড়াভিত্তিক পোর্টাল দ্য অ্যাথলেটিকের সাংবাদিক সাইমন হিউজের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১০টি সংগঠন আইএডব্লিউপিসিকে খোলা চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে তারা সতর্ক করেছেন এই বলে, ‘বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য কুকুর হত্যা শুধু জাতীয় আইনের বিরুদ্ধে যায় না, এটি টিএনভিআর প্রকল্পগুলোয় তহবিল বরাদ্দের নীতিরও বিরোধী।’ পাশাপাশি তারা দাবি করেছেন, কোনো ব্যক্তি ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো পথের প্রাণী হত্যা, নির্যাতন বা আঘাত করলে’ কারাদণ্ড ও জরিমানার যে বিধান রয়েছে, তা কঠোরভাবে কার্যকর করা হোক।তবে দেশটির প্রাণীসংক্রান্ত আইন নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। একদিকে প্রাণী নির্যাতনের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে, অন্যদিকে যারা এসব প্রাণীকে ‘আশ্রয় দেয়, খাবার দেয় বা চিকিৎসা করে’, তাদের জন্য জরিমানার ব্যবস্থাও আছে। ফলে সাধারণ মানুষ পথের কুকুরদের সহায়তা করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে বলে সমালোচকেরা মনে করেন।এ বিতর্কের পেছনে জটিল জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির প্রভাবও আছে। মরক্কোর সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতিবছর জলাতঙ্কে প্রায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয় এবং পথের কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হন প্রায় এক লাখ মানুষ। হায়াত প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা সালিমা কাদাউইয়ের মতো বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘চিহ্নিত কুকুরগুলোকে হত্যা না করে তাদের একই জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি; তারা যেন জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পুলিশের মতো কাজ করে।’বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও আইএডব্লিউপিসি সতর্ক করে বলেছে, গণহারে কুকুর নিধন করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি, প্রাণী কল্যাণ ও জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন মিলিয়ে বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক নজরদারির কেন্দ্রে। সামনে কী ঘটে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
টেনিস দুনিয়া
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
অনান্য খেলা
আরও দেখুন →
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যখন মাঠে ফ্রি-কিক নেন, তখন আমাদের চোখ থাকে সেই শটে, বলের বাঁক আর গোলপোস্টে। কিন্তু পর্দার আড়ালে একদল মানুষ ততক্ষণে মেপে ফেলছেন সেই শটের গতিপথ, বাতাসের বাধা আর রোনালদোর শরীরের প্রতিটি পেশির কম্পন।কিংবা ট্যুর ডি ফ্রান্সে একজন সাইক্লিস্ট যখন রেসে নামেন, আমরা কী দেখি? তিনি কতটা এগিয়ে বা পিছিয়ে আছেন, তাই তো? কিন্তু ট্র্যাকের বাইরে একদল মানুষের চোখ থাকে অন্য কোথাও। সেই সাইক্লিস্ট কতটা শক্তি খরচ করছেন, সেকেন্ডে কতবার ঘুরছে তাঁর সাইকেলের চাকা?আধুনিক খেলাধুলা এখন যেন সেন্সর, ক্যামেরা আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) এক গোলকধাঁধা। কিছুই আর শুধু অনুমানের বিষয় নয়। সবই ধরা পড়ছে যন্ত্রের চোখে।২০১১ সালের সেই বিখ্যাত সিনেমা ‘মানিবল’-এর কথা মনে আছে? ব্র্যাড পিট দেখিয়েছিলেন, কীভাবে স্রেফ পরিসংখ্যান ব্যবহার করে একটা সাদামাটা বেসবল দলকেও বদলে দেওয়া যায়। ২০২৬ সালে এসে সেই ডেটা বা পরিসংখ্যানের জগৎ এখন কয়েক আলোকবর্ষ এগিয়ে গেছে। খেলাটা এখন আর শুধু আবেগ বা শারীরিক দক্ষতার বিষয় নয়, বরং সংখ্যা আর অ্যালগরিদমের এক জটিল সমীকরণ। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই অন্য অনেক কিছুর মতো দখল করে নিচ্ছে খেলার দুনিয়াও।সিলিকন ভ্যালি যখন ড্রেসিংরুমেস্পোর্টস ডেটা অ্যানালাইসিসের বাজার এখন যেন টগবগ করে ফুটছে। আগে কোচেরা খেলোয়াড়দের চোখের দেখায় বিচার করতেন। এখন গায়ে লাগানো সেন্সর বলে দিচ্ছে একজন খেলোয়াড় কতটা ক্লান্ত কিংবা তার চোট পাওয়ার ঝুঁকি কতটুকু। ফ্রান্সের ‘সিস্পোর্টস’-এর পরিচালক ফ্রাঙ্ক ইমবাখ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘কোনো ক্লাব বা ফেডারেশনের কাছে যখন খেলোয়াড়দের সব তথ্য থাকে, আমরা তাদের নিখুঁত পরামর্শ দিতে পারি। আমরা তখন বলে দিতে পারি কীভাবে তাদের পারফরম্যান্স আরও বাড়ানো যাবে কিংবা চোট এড়ানো যাবে।’গ্রাফিকসগ্রাফিকসএআই দিয়ে বানানোএখন অনেক খেলোয়াড়ের শরীরে বসানো হচ্ছে পরিধানযোগ্য সেন্সর। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি থেকে শুরু করে হৃৎস্পন্দনের নিখুঁত হিসাব চলে আসছে ল্যাপটপের স্ক্রিনে। ফুটবলের কথাই ধরুন—ব্যাপারটা এখন আর বলের পেছনে ছোটার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গ্যালারিতে থাকা ক্যামেরা এখন প্রতি সেকেন্ডে ৫০টি ছবি তুলছে। খেলোয়াড়ের পায়ে বল থাকুক বা না থাকুক, তার প্রতিটি নড়াচড়া ট্র্যাক করা হচ্ছে। এমনকি একজন খেলোয়াড় কতটা জোরে শ্বাস নিচ্ছেন, সেটাও বাদ যাচ্ছে না। এ যেন এক ডিজিটাল ময়নাতদন্ত!নেইমারকে সারিয়ে তুলতে নাসার প্রযুক্তিব্রিটিশ স্টার্টআপ ‘স্পোর্টস ডায়নামিকস’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা আরনড সান্টিন একে বলছেন এক ‘হোলিস্টিক’ বা সামগ্রিক পদ্ধতি। এখানে নিজের দলের শক্তি যেমন জানা যায়, তেমনি প্রতিপক্ষের দুর্বলতাও বের করা যায় নিমেষেই।টাকার পাহাড় ও বাজির দুনিয়াবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ডেটা বা তথ্যের ব্যবসার ভবিষ্যৎ আকাশচুম্বী। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘ইওয়াই’-এর অন্যতম শীর্ষ কর্তা লোডোভিকো মাঞ্জিয়াভাক্কি পূর্বাভাস দিয়েছেন, আগামী দশকে ইউরোপের স্পোর্টস অ্যানালিটিকস বাজার কয়েক বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকবে। আরেকটি গবেষণা বলছে, ২০৩২ সালের মধ্যে এই বাজার হবে প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের! বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৮২ হাজার কোটি টাকা!আগে কোচেরা খেলোয়াড়দের চোখের দেখায় বিচার করতেন। এখন গায়ে লাগানো সেন্সর বলে দিচ্ছে একজন খেলোয়াড় কতটা ক্লান্ত কিংবা তার চোট পাওয়ার ঝুঁকি কতটুকু।আগে কোচেরা খেলোয়াড়দের চোখের দেখায় বিচার করতেন। এখন গায়ে লাগানো সেন্সর বলে দিচ্ছে একজন খেলোয়াড় কতটা ক্লান্ত কিংবা তার চোট পাওয়ার ঝুঁকি কতটুকু।গ্রাফিকস: এআই দিয়ে তৈরিএই তথ্যের খেলা শুধু মাঠের কৌশলেই সীমাবদ্ধ নেই। টিভি সম্প্রচার থেকে শুরু করে অনলাইন বেটিং বা ফ্যান্টাসি লিগ—সবখানেই তথ্যের জয়জয়কার। জার্মানি ভিত্তিক ‘ডেটা স্পোর্টস গ্রুপ’ যেমন রাগবি বা ক্রিকেটের লাইভ ডেটা সরবরাহ করে গণমাধ্যম ও গেমিং কোম্পানিগুলোকে। ‘ডেটা স্পোর্টস গ্রুপ’-এর রাজেশ ডি’সুজা যেমন বলছিলেন, বুকি বা জুয়াড়িদের কাছে এই ডেটা হলো সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল হাতিয়ার। পরিসংখ্যান দেখে তারা ঠিক করেন, কার ওপর বাজি ধরা নিরাপদ। এমনকি অফ-সিজনে যখন মাঠে কোনো খেলা থাকে না, তখনো ফ্যান্টাসি লিগের ভক্তদের মাতিয়ে রাখে এই পরিসংখ্যানের লড়াই।তথ্যের সুরক্ষা ও গোপনীয়তাএত সব কথার ভিড়ে একটা বড় প্রশ্ন থেকে যায়—খেলোয়াড়দের এই ব্যক্তিগত তথ্যের মালিক আসলে কে? ইউরোপে অবশ্য ‘জিডিপিআর’ (তথ্য সুরক্ষা) আইন আছে। তবে সান্টিন বলছেন অন্য এক বাস্তবতার কথা। পেশাদার চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সময় খেলোয়াড়রা কার্যত তাদের ডেটা ব্যবহারের অনুমতি ক্লাব বা লিগকে দিয়েই দেন। খেলার দুনিয়ায় খেলার এই তথ্যের বাজার যে কতটা জমজমাট, তার প্রমাণ মিলেছে এই মাসেই। আমেরিকান টেক জায়ান্ট ‘জিনিয়াস স্পোর্টস’ ১২০ কোটি ডলারে কিনে নিয়েছে বেটিং প্ল্যাটফর্ম ‘লিজেন্ড’কে।প্রযুক্তি ও জলবায়ুবান্ধব ক্রিকেটের উদ্যোগ এমসিসিরদিনশেষে মাঠে ফুটবলারের সেই শৈল্পিক ড্রিবলিং বা পেস বোলারের গতির ঝড় হয়তো আমাদের চোখে সৌন্দর্য, কিন্তু স্পোর্টস অ্যানালিটিকসের দুনিয়ায় তা কোটি ডলারের একেকটি পরিসংখ্যান মাত্র! মাঠের লড়াইটা হয়তো এখনো খেলোয়াড়ের ঘাম আর দক্ষতার, কিন্তু পর্দার আড়ালের জয়-পরাজয় এখন নির্ধারিত হচ্ছে বাইনারি কোডে!
খেলাধুলার বিবিধ
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
রেসলিং
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
